১ অক্টোবর ২০২৬
ফ্ল্যাট কেনা সবচেয়ে সহজ হয় ধাপগুলো সঠিক ক্রমে করলে। বেশিরভাগ ব্যয়বহুল ভুল হয় যখন ক্রেতা আগে টাকা দেন, প্রশ্ন করেন পরে। সাভার ডিওএইচএস, ঢাকায় যারা অ্যাপার্টমেন্ট দেখছেন, তাদের জন্য আমরা যে ক্রম সুপারিশ করি সেটাই এই গাইডে।
১. বাস্তবসম্মত মোট বাজেট ঠিক করুন
শুধু ঘোষিত দাম নয়, পুরো খরচ ধরুন। নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি খরচ, ইউটিলিটি সংযোগ ফি, জেনারেটর ও লিফটের খরচের অংশ, আসবাব এবং হস্তান্তরের পর মাসিক সার্ভিস চার্জ যোগ করুন। আনুমানিক হিসাবের বদলে আইনজীবী বা ব্যাংকের কাছ থেকে বর্তমান অঙ্ক জেনে নিন।
২. পরিবারের জন্য উপযুক্ত সাইজ ঠিক করুন
ছোট ও বড় ইউনিট তুলনা করুন পরিবার আসলে কীভাবে থাকে তার ভিত্তিতে। প্রায় ১,৩৫০ বর্গফুটের তিন বেডরুম আর প্রায় ২,৭০০ বর্গফুটের চার বেডরুমের পুরো তলা দৈনন্দিন জীবনে ও মাসিক খরচে একেবারে আলাদা। সাইজ বাছাইয়ের গাইডে এই বিনিময়গুলো ব্যাখ্যা করা আছে।
৩. রোড ও ভবন বাছাই করে সরাসরি দেখুন
পরিকল্পিত সোসাইটির ভেতরে অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ: প্রবেশপথ, রাস্তার প্রস্থ, গেট ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের দূরত্ব। দিনের ভিন্ন সময়ে যান। প্রবাসে থাকলে লাইভ ভিডিও ওয়াকথ্রু চান এবং বিশ্বস্ত কোনো আত্মীয়কে পাঠান।
৪. টাকা দেওয়ার আগে দলিল ফাইল পড়ুন
মূল দলিল ও দলিলের ধারা, নামজারি ও খতিয়ান, অনুমোদিত নকশা, ভূমি করের রসিদ এবং মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট দেখতে চান। কপি নিজের আইনজীবীকে দেখান। সাতটি দলিলের চেকলিস্টে প্রতিটি কাগজ কী প্রমাণ করে তা বলা আছে।
৫. লিখিত কিস্তি তালিকা নিন
তালিকায় থাকবে মোট দাম, প্রতিটি কিস্তি, বুকিং মানি কিসের সঙ্গে সমন্বয় হবে এবং হস্তান্তরের মাস ও দেরি হলে কী হবে। মুখে বলা কিছু থাকলে সেটাও কাগজে আনুন।
৬. চুক্তি, নিবন্ধন ও নামজারি
চুক্তি স্বাক্ষর ও তালিকা অনুযায়ী পরিশোধের পর যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিক্রয় নিবন্ধিত হয় এবং আপনার নামে রেকর্ড হালনাগাদ হয়। এই ধাপে আইনজীবী তদারকি করবেন এবং আপনাকে সত্যায়িত কপি দেবেন।
৭. হস্তান্তরের আগে পরিদর্শন
চেকলিস্ট নিয়ে ইউনিট ঘুরে দেখুন: ফিনিশিং, প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক পয়েন্ট, দরজা-জানালা, লিফট ও জেনারেটর। ত্রুটিগুলো লিখে রাখুন এবং কবে ঠিক হবে সেই তারিখ নির্ধারণ করুন।
যেকোনো ধাপে দ্বিতীয় মতামত চাইলে আমাদের সাভার ডিওএইচএস ডেস্ক বাংলা ও ইংরেজিতে উত্তর দেয় — আমাদের কাছ থেকে কিনুন বা না কিনুন।


